“মুক্ত সংস্কৃতি দিবস – ২০১৩” — বাংলাদেশ আয়োজন

মুক্ত সংস্কৃতি আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য যে কোন মানুষের নিজস্ব পছন্দানুযায়ী তাঁর সংস্কৃতিক পরিচয় ও কর্মকান্ড লালন-পালনের অধিকারকে সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত সংস্কৃতি আন্দোলন, উন্মুক্তভাবে সংস্কৃতিক কর্মকান্ডের চর্চা করতে এবং গুনগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রযুক্তিগত সহায়তা আদান-প্রদান এবং উৎসাহ দিয়ে থাকে।

Read More

“হার্ডওয়্যার মুক্তি দিবস – ২০১৩” — বাংলাদেশ আয়োজন

মুক্ত হার্ডওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য যে কোন প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর পছন্দ অনুযায়ী যে কোন হার্ডওয়্যার ক্রয় ও ব্যবহারের অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত হার্ডওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত হার্ডওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে থাকে। এই আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করতে এই বছরে এপ্রিল মাসের তৃতীয় শনিবার মানে, ২০শে এপ্রিল “হার্ডওয়্যার মুক্তি দিবস” উদযাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছিলো।

Read More

“সফটওয়্যার মুক্তি দিবস – ২০১২” — বাংলাদেশ আয়োজন

মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত সফটওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে। ১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের কোন একদিনে রিচার্ড স্টলম্যান নামের সফটওয়্যারের যাদুকর এক বদ্ধ উন্মাদ নিজের মোটা মাইনের চাকুরী ছেড়ে দিয়ে শুরু করেছিলেন মানবতার জন্য সফটওয়্যার উন্মুক্ত করার কাজ – “প্রজেক্ট গ্নু (GNU)”। সেই ব্যক্তিগত পাগলামো মার্কা উদ্যোগটাই আজ পৌঁছে গেছে সামগ্রিক ”সফটওয়্যার মুক্তি”র আন্দোলনে। প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ”মুক্ত সফটওয়্যার ফাউন্ডেশন” (Free Software Foundation বা FSF)। বিশ্বের বাঘা বাঘা সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যোগ দিয়েছে এই সংগঠনের সহযোগী হিসেবে। উদাহরন স্বরূপ বলা যায় – ক্যানোনিক্যাল, গুগল, লিনাক্স ফাউন্ডেশনের নাম। ২০০৪ সাল থেকে এই আন্দোলনের শুরুর দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় শনিবারে।

Read More