“পেঙ্গুইন মেলা – ২০১৬” – ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত সফটওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে। “সফটওয়্যার চোর” অপবাদ থেকে নিজের প্রানের প্রিয় এই বাংলাদেশকে কালিমামুক্ত করতে এবং সফটওয়্যার প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর ও মুক্তপ্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার, লিনাক্স ও উন্মুক্ত সোর্স ভিত্তিক সফটওয়্যারকে ছড়িয়ে দেবার প্রত্যয়ে মুক্ত প্রযুক্তি ভিত্তিক সফটওয়্যার, লিনাক্স এবং বিভিন্ন সেবাসমূহ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এফওএসএস বাংলাদেশ (ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ)।

উন্মুক্ত প্রযুক্তি ও মুক্ত সফটওয়্যার বিষয়ে এফওএসএস বাংলাদেশ এর জনসচেতনতামূলক একটি আয়োজন “পেঙ্গুইন মেলা”। এফওএসএস বাংলাদেশ এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র ইলেক্ট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সম্মিলিত উদ্যোগে “পেঙ্গুইন মেলা” অনুষ্ঠিত হয় ৪ঠা জুন ২০১৬ইং বৃহস্পতিবার, সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা অবদি, ঢাকার ৬৬ গ্রীন রোডে অবস্থিত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র ডঃ এম আই পাটোয়ারী মিলনায়তনে।

এই আয়োজনে ছিল —
# সফটওয়্যার ও সফটওয়্যার পাইরেসি বিষয়ক আলোচনা
# সফটওয়্যার পাইরেসি থেকে মুক্ত হবার উপায় নিয়ে বিশদ আলোচনা
# মুক্ত সফটওয়্যার, ওপেনসোর্স ও জিএনইউ-লিনাক্স বিষয়ে আলোচনা
# অংশগ্রহনকারী দর্শকদের সাথে মতামত বিনিময় ও সরাসরি আলোচনা।
# আয়োজনের শেষাংশে জিএনউউ/লিনাক্স ডিস্ট্রো ইন্সটলেশন এবং ব্যবহার সহযোগীতার ব্যবস্থা। যেখানে জিএনইউ-লিনাক্স ভিত্তিক বিভিন্ন ডিস্ট্রোর আইএসও পেনড্রাইভে সংগ্রহ ও ইন্সটল করে নেয়া যাবে।

আয়োজনের কিছু ছবির সংকলন।

“পেঙ্গুইন মেলা – ২০১৬” – ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ

মুক্ত প্রযুক্তি আন্দোলনটি একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত প্রযুক্তি আন্দোলন, মুক্ত সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে। “সফটওয়্যার চোর” অপবাদের থেকে নিজের প্রানের প্রিয় এই বাংলাদেশকে কালিমামুক্ত করতে এবং প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর ও মুক্তপ্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার, লিনাক্স ও উন্মুক্ত সোর্স ভিত্তিক সফটওয়্যারকে ছড়িয়ে দেবার প্রত্যয়ে মুক্ত প্রযুক্তি ভিত্তিক সফটওয়্যার, লিনাক্স এবং বিভিন্ন সেবাসমূহ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এফওএসএস বাংলাদেশ (ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ)।

উন্মুক্ত প্রযুক্তি ও মুক্ত সফটওয়্যার বিষয়ে এফওএসএস বাংলাদেশ এর জনসচেতনতামূলক একটি আয়োজন “পেঙ্গুইন মেলা”। ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগ এবং এফওএসএস বাংলাদেশ এর যৌথ উদ্যোগে  “পেঙ্গুইন মেলা” অনুষ্ঠিত হয় ২ জুন ২০১৬ ইং বৃহস্পতিবার, সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা অবদি ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিকে অবস্থিত ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের জিপিএল মিলনায়তনে।

এই আয়োজনে ছিল —
# সফটওয়্যার ও সফটওয়্যার পাইরেসি বিষয়ক আলোচনা
# সফটওয়্যার পাইরেসি থেকে মুক্ত হবার উপায় নিয়ে বিশদ আলোচনা
# মুক্ত সফটওয়্যার, ওপেনসোর্স ও জিএনইউ-লিনাক্স বিষয়ে আলোচনা
# অংশগ্রহনকারী দর্শকদের সাথে মতামত বিনিময় ও সরাসরি আলোচনা।
# আয়োজনের শেষাংশে জিএনউউ/লিনাক্স ডিস্ট্রো ইন্সটলেশন এবং ব্যবহার সহযোগীতার ব্যবস্থা। যেখানে জিএনইউ-লিনাক্স ভিত্তিক বিভিন্ন ডিস্ট্রোর আইএসও পেনড্রাইভে সংগ্রহ ও ইন্সটল করে নেয়া যাবে।

আয়োজনের কিছু ছবির সংকলন।

“হার্ডওয়্যার মুক্তি দিবস – ২০১৬” — বাংলাদেশ আয়োজন

মুক্ত হার্ডওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য যে কোন প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর নিজ পছন্দ অনুযায়ী যে কোন হার্ডওয়্যার ক্রয় ও ব্যবহারের অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত হার্ডওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত হার্ডওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে থাকে। এই আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করতে বিগত ২০১৩ইং সাল থেকে বছরের প্রথম মাস জানুয়ারীর তৃতীয় শনিবারে “হার্ডওয়্যার মুক্তি দিবস” উদযাপনের পরিকল্পনা করা হয়ে আসছে। এ বছরে এই দিনটি বাংলাদেশে পালিত হয় ২৭শে মে, ২০১৬ইং।

Read More

“হার্ডওয়্যার মুক্তি দিবস – ২০১৬” — বাংলাদেশ আয়োজন

মুক্ত হার্ডওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য যে কোন প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর নিজ পছন্দ অনুযায়ী যে কোন হার্ডওয়্যার ক্রয় ও ব্যবহারের অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত হার্ডওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত হার্ডওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে থাকে। এই আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করতে বিগত ২০১৩ইং সাল থেকে বছরের প্রথম মাস জানুয়ারীর তৃতীয় শনিবারে “হার্ডওয়্যার মুক্তি দিবস” উদযাপনের পরিকল্পনা করা হয়ে আসছে। এ বছরে এই দিনটি বাংলাদেশে পালিত হতে যাচ্ছে ২৭শে মে, ২০১৬ইং।

এফওএসএস বাংলাদেশ এ বছর দেশের সকল উন্মুক্ত প্রযুক্তিপ্রেমীকে সাথে নিয়ে পালন করতে যাচ্ছে “হার্ডওয়্যার মুক্তি দিবস – ২০১৬” বাংলাদেশ আয়োজন।

আয়োজনের বিস্তারিত:
বিকাল ১৭:৩০ – বিকাল ১৮:০০ — মুক্ত হার্ডওয়্যার ব্যবহারে বাস্তব প্রকল্প উপস্থাপন/প্রদর্শণী (টিম নাটবল্টু)
দুপুর ১৮:০০ – বিকাল ১৮:৩০ — সরাসরি মতবিনিময় ও প্রশ্নোত্তর।

আয়োজন সমন্বয়কারী:
সগীর হোসাইন খান +৮৮০১৯১৩৪৭৫৯৪৬

উবুন্টু ১৬.০৪ “জেনিয়াল জেরাস” এর প্রকাশনা উদযাপন

বিগত ২১শে এপ্রিল ২০১৬ইং উবুন্টুর সাম্প্রতিকতম সংস্করণ ১৬.০৪ “জেনিয়াল জেরাস” সাংকেতিক নামে প্রকাশিত হয়েছে। উবুন্টু’র প্রতিটি সংস্করণ প্রকাশিত হবার পরপরই বিশ্বের প্রায় প্রতিটি উবুন্টু লোকো (লোকো == লোকাল কমিউনিটি == দেশীয়/স্থানীয় ব্যবহারকারী, মানোন্নয়কারী, অনুবাদক) উবুন্টুর এই প্রকাশনাকে বিভিন্ন রকমের আনন্দ আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপন করে থাকে। যার নামকরণ করা হয় — “উবুন্টু রিলিজ পার্টি” শিরোনামে। এটি একটি বৈশ্বিক আয়োজন বা গ্লোবাল ইভেন্ট অর্থাৎ এটি সারা বিশ্বেই পালিত হয়ে থাকে।

এবারের এই নতুন সংস্করণটি প্রকাশিত হবার পর আমরাও বিশ্ববাসীর সাথে এই আনন্দ আয়োজন উদযাপনের আকাঙ্খা ব্যক্ত করছি। ইনশাল্লাহ আগামী ১৩ই মে ২০১৬ইং, শুক্রবার বিকাল ৪টা থেকে ৬টা অবদি আমরা বাংলাদেশের উবুন্টু প্রেমীরাও, “উবুন্টু ১৬.০৪” বা “জেনিয়াল জেরাস” এর প্রকাশনা উদযাপন করবো।

আয়োজনের বিস্তারিতঃ
স্থান: মিলনায়তন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। ড্যাফোডিল টাওয়ার ৪ (সোবহানবাগ, প্রিন্সপ্লাজা) ৪তলায়।
তারিখ: ১৩ই মে ২০১৬ইং, শুক্রবার।
সময়: বিকাল ৪টা থেকে ৬টা

আয়োজন সূচীঃ
# উবুন্টু কী, কেন?
# উবুন্টু ব্যবহারকারীদের নির্ভেজাল আড্ডা ও অভিজ্ঞতার গল্প
# উবুন্টু ১৬.০৪ এর নতুন বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে মিনিট সাতেকের একটি চলমান চিত্র প্রদর্শনী
# কেক কেটে উবুন্টু’র নতুন প্রকাশনা উদযাপন

আয়োজনে আপনার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে আমাদেরকে তথ্য দিন, আয়োজনে সহযোগীতা করুন — http://goo.gl/forms/JeCqZnmW0C

আয়োজন পরবর্তী প্রতিবেদন

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র সফটওয়্যার প্রকৌশল বিভাগ এবং এফওএসএস বাংলাদেশ এর যৌথ আয়োজনে গতকাল ১৩ই মে, ২০১৬ইং শুক্রবার বাংলাদেশের সাধারন উবুন্টুপ্রেমী ও ব্যবহারকারীদের অংশগ্রহনে উবুন্টু ১৬.০৪ “জেনিয়াল জেরাস” এর প্রকাশনা উদযাপন আয়োজন হয়ে গেলো, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র মিলনায়তনে। বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যে সাড়ে ৬টা ব্যাপী এ আয়োজনটি সকলের জন্য উন্মুক্ত ছিলো। আয়োজনে ব্যবহারকারীদের সবার সাথে সবার পরিচিতি-আড্ডা, উবুন্টু ১৬.০৪ এর নতুন পরিসেবাগুলো নিয়ে ছিলো উপস্থাপনা, ছিলো জমজমাট আপ্যায়ন পর্বও। সাধারন ব্যবহারকারী এবং আগ্রহীজনদের ল্যাপটপ/নেটবুক/নোটবুক এ উবুন্টু’র নতুন সংস্করনটি ইন্সটল এবং ব্যবহার সংক্রান্ত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ছিলো ”জিএনইউ/লিনাক্স ডিস্ট্রো ইন্সটলেশন এবং ব্যবহার সহযোগীতা সেবা” বুথ, জিএনইউ/লিনাক্স ভিত্তিক বিভিন্ন ডিস্ট্রোর আইএসও পেনড্রাইভে কিংবা পছন্দের মিডিয়াতে সংগ্রহের ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য যে, বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই উবুন্টু’র ব্যবহারকারীরা প্রতিটি সংস্করনের প্রকাশ হবার পরপরই আনন্দ আয়োজনের মাধ্যমে উবুন্টু’র প্রকাশণাটিকে স্বাগত জানিয়ে থাকেন। আয়োজনের কিছু ছবির সংকলন পাবেন এখানে।

“ডিআরএম” বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” প্রতিরোধ দিবস – ২০১৬

প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা এবং পন্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কর্তৃক সাধারন ব্যবহারকারীদের নিকট তথ্য প্রদান না করা এবং তথ্য/প্রযুক্তি প্রাপ্তি/ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি/বিকল্প পন্থায় বাধাসৃষ্টিকারী প্রযুক্তি/ব্যবস্থাগুলোকে আমজনতার সামনে উপস্থাপন করতেই এই দিনটি পালন করা হয়। প্রযুক্তির দুনিয়ায় প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের অধিকার খর্ব করে এমন সব প্রযুক্তিকে প্রতিহত করতে বিগত ২০১২ইং সাল থেকে প্রতি বছর ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” প্রতিরোধে মে মাসের প্রথম সপ্তাহের একটি দিন আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে।

বিগত বছরগুলোয় আমরা এইচটিএমএল ৫ বা ওয়েব দুনিয়ার দখলদারীর উদ্দেশ্যে ইএমই বা এনক্রিপটেড মিডিয়া এক্সটেনশনস এবং ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” এর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন রুখে দিতে, SOPA এবং PIPA প্রতিরোধে এই দিনটি পালন করেছিলাম। আমাদের সেই বৈশ্বিক/সামগ্রিক আন্দোলনের কার্যকারীতা সকল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারকারী ইতোমধ্যেই দেখতে পাচ্ছেন এবং সেই প্রতিরোধের সুফলটাও ভোগ করছেন।

আমরা এফওএসএস বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার প্রকৌশল বিভাগের সার্বিক সহযোগীতায়, পুরো বিশ্বের উন্মুক্ত মনা মানুষ ও প্রযুক্তিব্যবহারকারীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আসন্ন ৩রা মে ২০১৬ইং বুধবার, ঢাকার ধানমন্ডি মিরপুর রোডের ১০২শুক্রাবাদে অবস্থিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সকাল ১০টা ৩০মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০মিনিট অবদি একটি জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা এবং মিনিট কুড়ি ব্যাপী একটি মানববন্ধন কর্মসূচী পালনের পরিকল্পনা করেছি।

আশা রাখি আপনাদেরকে সহ দেশের সকল মুক্তমনা মানুষ এবং প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদেরকে এই দিনে আমাদের সাথেই পাবো। আমাদের সাথে সরাসরি এই মানববন্ধনে অংশ নিন এবং প্রযুক্তির দুনিয়ায় এই দুষ্ট ডিআরএম প্রযুক্তির প্রতিরোধে নিজের দৃঢ় অবস্থান আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে জানিয়ে দিন। ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন — http://www.defectivebydesign.org/what_is_drm

আয়োজন পরবর্তী প্রতিবেদন (৩রা মে, ২০১৬। বিকাল ৪টা ২৬মিনিট)

প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা এবং পন্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কর্তৃক সাধারন ব্যবহারকারীদের নিকট তথ্য প্রদান না করা এবং তথ্য/প্রযুক্তি প্রাপ্তি/ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি/বিকল্প পন্থায় বাধাসৃষ্টিকারী প্রযুক্তি/ব্যবস্থাগুলোকে আমজনতার সামনে উপস্থাপন করতে আজ ৩রা মে পালিত হয়ে গেলো ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক দিবস। প্রযুক্তির দুনিয়ায় প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের অধিকার খর্ব করে এমন সব প্রযুক্তিকে প্রতিহত করতে বিগত ২০১২ইং সাল থেকেই প্রতি বছর ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” প্রতিরোধে এই দিনটি সারা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে। এফওএসএস বাংলাদেশ ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার প্রকৌশল বিভাগ পুরো বিশ্বের উন্মুক্ত মনা মানুষ ও প্রযুক্তিব্যবহারকারীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঢাকার ধানমন্ডি মিরপুর রোডের ১০২শুক্রাবাদে অবস্থিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সকাল ১১টা দুপুর ১২টা ৩০মিনিট অবদি একটি জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা এবং তার পরপরই মিনিট কুড়ি ব্যাপী একটি মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে।

আয়োজনের ছবিসমূহের সংকলন।

এফওএসএস বাংলাদেশ এর পঞ্চম বর্ষপূর্তি উদযাপন

প্রিয় সবাই
আজ ২২শে ফেব্রুয়ারী ২০১৬ইং আমাদের সবার সংগঠন, এফওএসএস বাংলাদেশ পূর্ণ করেছে তাঁর পঞ্চম বর্ষের কার্যক্রম এবং ষষ্ঠ বর্ষে এর যাত্রার শুরু হয়েছে। সাংগঠনিকভাবে ২১শে ফেব্রুয়ারী ২০১৬ইং আমরা এই ১৮২৬তম দিনটা পার করছি এবং আপনাদের সবাইকে, একসাথে এই কার্যক্রম-আন্দোলনের সাথী পেয়ে অত্যন্ত গর্বিত বোধ করছি।

১৮৩২তম দিন পূর্ণ করার দিনটিতে মানে ২৬শে ফেব্রুয়ারী ২০১৬ইং, শুক্রবার আমরা সকল স্বেচ্ছাসেবকের সাথে সংযুক্ত হতে চাই, সাক্ষাৎ করতে চাই, হৃাদিক সম্পর্কের বাঁধনটা আরো দৃঢ় করতে চাই। সেই লক্ষ্যে এই দিনটিকে আমরা সাংগঠনিকভাবে বর্ষপূর্তির দিন হিসেবে উদযাপন করতে চাই আপনাদের সবার সাথে। ১৮২৬তম দিন পূর্ণ করার দিনটিতে মানে ২১শে ফেব্রুয়ারী ২০১৬ইং, রবিবার আমরা বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী একত্রিত হয়েছিলাম এবং সবার কিঞ্চিৎ আনন্দ আয়োজনের ছবি সবার উদ্দেশ্যে এই আয়োজন পৃষ্ঠায় সংযুক্ত হলো।

এই বিশেষ দিনটিতে বিকাল ৪টা থেকে বিকাল ৬টা ৩০মিনিট ব্যাপী আমাদের আয়োজন পরিকল্পনায় রয়েছে —
১। বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের সবাইকে স্বাগতম জানানো এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য।
২। হালকা বিনোদনমূলক সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং আপ্যায়ন।

এই আয়োজন সাংগঠনিক ভাবে আমাদের বর্ষপূর্তির আয়োজন বিধায় আয়োজনটিকে আমরা আনন্দঘন পরিবেশেই করতে আগ্রহী এবং এতে সাংগঠনিক স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ সাদরে অংশ নেবেন। আমাদের এই আয়োজনে নাটবল্টু’র প্রধান কার্যালয়ে আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রন জানাচ্ছি। আয়োজনের খুঁটিনাটি পরিকল্পনায় আপনাদের নিজস্ব মতামত এবং আয়োজনে আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ একান্ত কাম্য।

“উন্মুক্ত শিক্ষা দিবস – ২০১৬” — বাংলাদেশ আয়োজন

“উন্মুক্ত শিক্ষা দিবস” আয়োজনটি একটি বৈশ্বিক আয়োজন। মানে পুরো পৃথিবীর বিভিন্ন অবস্থানে বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এই আয়োজনে অংশ নেবে এবং সক্রিয়ভাবে উদযাপন করবে দিবসটিকে। উন্মুক্ত শিক্ষা আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে “শিক্ষা” নামক মৌলিক অধিকারটুকু সবার জন্য সুনিশ্চিত করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উন্মুক্ত শিক্ষা আন্দোলন উন্মুক্ত সফটওয়্যার, উন্মুক্ত পাঠ্যবই, উন্মুক্ত শিক্ষা উপকরন তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে থাকে।

শিক্ষায় ব্যবহৃত সফটওয়্যার এবং মুক্ত সফটওয়্যার সমূহের ব্যবহারে শিক্ষায় অগ্রগতি, উন্মুক্ত শিক্ষা উপকরণ এবং চলমান প্রকল্পসমূহকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে উপস্থাপন করতেই এই আয়োজনটি করা হয়। ২০১৩ইং সালে এই উদযাপনের পরিকল্পনা করে ডিজিটাল ফ্রিডম ফাউন্ডেশন এবং ২০১৪ইং সালে প্রথমবারের মতো এই আয়োজনটি বিশ্বব্যাপী আয়োজিত হয়েছিলো।

যেহেতু সফটওয়্যার মুক্তি দিবস আয়োজনটি এবং এই আয়োজনটি একই সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিকল্পিত তাই সফটওয়্যার মুক্তি দিবসের ন্যায় মাসের তৃতীয় শনিবার প্রথা মেনে ২০১৬ইং সালের জানুয়ারী মাসের তৃতীয় শনিবারে মানে আগামী ১৬ই জানুয়ারী “উন্মুক্ত শিক্ষা দিবস” উদযাপন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

আমরা এফওএসএস বাংলাদেশ, বিশ্বের অন্যান্য সকলের সাথে তাল মিলিয়ে এই দিনটিতে “উন্মুক্ত শিক্ষা দিবস – ২০১৬” — বাংলাদেশ আয়োজন উদযাপন করতে যাচ্ছি। এই দিনে আমরা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র এবি বিল্ডিং (ডিটি-৪) লাউঞ্জে আয়োজনটি করবো।

আমাদের এই আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বিশ্বব্যাপী চলমান বিভিন্ন উন্মুক্ত শিক্ষা প্রকল্প, সফটওয়্যার, টুলস, বই ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবেন। বিকাল ৪টা ৩০মিনিট থেকে শুরু করে সন্ধ্যে ৬টা ৩০মিনিট ব্যাপী এই আয়োজনে আপনাদের সবাইকে বন্ধু-স্বজন-আপনজন সহকারে আমন্ত্রন জানাচ্ছি। জিএনইউ/লিনাক্স বিষয়ক ব্যবহারিক সাপোর্ট/সহায়তা সেবাটুকু নিশ্চিত করতে আগাম তথ্য দিয়ে আমাদেরকে আয়োজনে সহায়তা করুন — http://goo.gl/m75zy লিংকটি থেকে।

মুক্ত সফটওয়্যার ও জিএনইউ-লিনাক্স বিষয়ক কর্মশালা — ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস

ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস এর কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগ এবং এফওএসএস বাংলাদেশ এর যৌথ্য উদ্যোগে উন্মুক্ত প্রযুক্তি ও মুক্ত সফটওয়্যার বিষয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদেরকে অবহিতকরনমূলক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজিত হয়ে গেলো বিগত ০৮ জানুয়ারী থেকে ০৯ জানুয়ারী-২০১৬ইং, দুইদিন ব্যাপী। উক্ত আয়োজনে সফটওয়্যার পাইরেসি থেকে মুক্ত হবার উপায়, মুক্ত সফটওয়্যারের ব্যবহারে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং ব্যয় সংকোচন সংক্রান্ত বিষয়ে বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি আরো ছিলো অংশগ্রহনকারী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি মতামত বিনিময় ও আলোচনার সুযোগ। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার প্রকৌশল বিভাগের খন্ডকালীন শিক্ষক এবং এফওএস বাংলাদেশ মহাসচিব জনাব সাজেদুর রহিম জোয়ারদার। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের সম্মানীত প্রধান এবং শিক্ষকবৃন্দ।

উল্লেখ্য যে, মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত সফটওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে।

আয়োজনের ছবির সংকলন।

লিনাক্স মিন্ট ১৭.৩ “রোযা”র প্রকাশনা উদযাপন

প্রতি বছরের মে এবং নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে “লিনাক্স মিন্ট” এর সংস্করনগুলো প্রকাশিত হয়ে থাকে। উবুন্টু’র এলটিএস এবং ডেবিয়ানের স্টেবল ডিস্ট্রোসমূহের উপরে ভিত্তি করে প্রস্তুতকৃত এই জিএনইউ/লিনাক্স ডিস্ট্রোটি বিগত ২০১৩ইং সাল থেকেই উবুন্টু’র চাইতেও বেশী জনপ্রিয়তা পেয়ে সারা বিশ্বের লিনাক্স ডিস্ট্রো ব্যবহারকারীদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে। চলতি ২০১৫ইং সালে লিনাক্স মিন্টের সর্বশেষ প্রকাশনাটি হয়েছে বিগত ৪ই ডিসেম্বর দিবাগত রাত্রে আর এর সাংকেতিক নাম রাখা হয়েছে-”রোযা”। এবারের সংস্করণটিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এটিকে আরো বেশী ব্যবহারকারী বান্ধব করা হয়েছে, সংযুক্ত সফটওয়্যারগুলোর হালনাগাদকৃত সংস্করণ যুক্ত করা হয়েছে, ফাইল ম্যানেজারকে আরো বেশী দ্রুতগতির ও আরো বেশী ফিচারসমৃদ্ধ করা হয়েছে। ওয়ালপেপারসমূহে আনা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ছোঁয়া। সব মিলিয়ে লিনাক্সমিন্টের এই সংস্করনটি নবীন কম্পিউটার ব্যবহাকারীদের জন্য “ছোট প্যাকেটে বিশাল এক ধামাকা।” 🙂

Read More