“ডিআরএম” বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” প্রতিরোধ দিবস – ২০১৫

প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা এবং পন্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কর্তৃক সাধারন ব্যবহারকারীদের নিকট তথ্য প্রদান না করা এবং তথ্য/প্রযুক্তি প্রাপ্তি/ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি/বিকল্প পন্থায় বাধাসৃষ্টিকারী প্রযুক্তি/ব্যবস্থাগুলোকে আমজনতার সামনে উপস্থাপন করতেই এই দিনটি পালন করা হয়। প্রযুক্তির দুনিয়ায় প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের অধিকার খর্ব করে এমন সব প্রযুক্তিকে প্রতিহত করতে বিগত ২০১২ইং সাল থেকে প্রতি বছর ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” প্রতিরোধে ৬ই মে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে।

বিগত বছরগুলোয় আমরা এইচটিএমএল ৫ বা ওয়েব দুনিয়ার দখলদারীর উদ্দেশ্যে ইএমই বা এনক্রিপটেড মিডিয়া এক্সটেনশনস এবং ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” এর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন রুখে দিতে, SOPA এবং PIPA প্রতিরোধে এই দিনটি পালন করেছিলাম। আমাদের সেই বৈশ্বিক/সামগ্রিক আন্দোলনের কার্যকারীতা সকল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারকারী ইতোমধ্যেই দেখতে পাচ্ছেন এবং সেই প্রতিরোধের সুফলটাও ভোগ করছেন।

আমরা এফওএসএস বাংলাদেশ পুরো বিশ্বের উন্মুক্ত মনা মানুষ ও প্রযুক্তিব্যবহারকারীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আসন্ন ৬ই মে ২০১৫ইং বুধবার, ঢাকার ধানমন্ডি মিরপুর রোডের ১০২শুক্রাবাদে অবস্থিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সকাল ১০টা ৩০মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০মিনিট অবদি একটি জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা এবং তার পরপরই মিনিট কুড়ি ব্যাপী একটি মানববন্ধন কর্মসূচী পালনের পরিকল্পনা করেছি। আশা রাখি আপনাদেরকে সহ দেশের সকল মুক্তমনা মানুষ এবং প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদেরকে এই দিনে আমাদের সাথেই পাবো। আমাদের সাথে সরাসরি এই মানববন্ধনে অংশ নিন এবং প্রযুক্তির দুনিয়ায় এই দুষ্ট ডিআরএম প্রযুক্তির প্রতিরোধে নিজের দৃঢ় অবস্থান আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে জানিয়ে নিন। ডিআরএম বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন — http://www.defectivebydesign.org/what_is_drm

আয়োজনের ছবিসমূহের সংকলন।

“ডিআরএম” বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” প্রতিরোধ দিবস – ২০১৬

প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা এবং পন্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কর্তৃক সাধারন ব্যবহারকারীদের নিকট তথ্য প্রদান না করা এবং তথ্য/প্রযুক্তি প্রাপ্তি/ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি/বিকল্প পন্থায় বাধাসৃষ্টিকারী প্রযুক্তি/ব্যবস্থাগুলোকে আমজনতার সামনে উপস্থাপন করতেই এই দিনটি পালন করা হয়। প্রযুক্তির দুনিয়ায় প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের অধিকার খর্ব করে এমন সব প্রযুক্তিকে প্রতিহত করতে বিগত ২০১২ইং সাল থেকে প্রতি বছর ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” প্রতিরোধে মে মাসের প্রথম সপ্তাহের একটি দিন আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে।

বিগত বছরগুলোয় আমরা এইচটিএমএল ৫ বা ওয়েব দুনিয়ার দখলদারীর উদ্দেশ্যে ইএমই বা এনক্রিপটেড মিডিয়া এক্সটেনশনস এবং ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” এর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন রুখে দিতে, SOPA এবং PIPA প্রতিরোধে এই দিনটি পালন করেছিলাম। আমাদের সেই বৈশ্বিক/সামগ্রিক আন্দোলনের কার্যকারীতা সকল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারকারী ইতোমধ্যেই দেখতে পাচ্ছেন এবং সেই প্রতিরোধের সুফলটাও ভোগ করছেন।

আমরা এফওএসএস বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার প্রকৌশল বিভাগের সার্বিক সহযোগীতায়, পুরো বিশ্বের উন্মুক্ত মনা মানুষ ও প্রযুক্তিব্যবহারকারীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আসন্ন ৩রা মে ২০১৬ইং বুধবার, ঢাকার ধানমন্ডি মিরপুর রোডের ১০২শুক্রাবাদে অবস্থিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সকাল ১০টা ৩০মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০মিনিট অবদি একটি জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা এবং মিনিট কুড়ি ব্যাপী একটি মানববন্ধন কর্মসূচী পালনের পরিকল্পনা করেছি।

আশা রাখি আপনাদেরকে সহ দেশের সকল মুক্তমনা মানুষ এবং প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদেরকে এই দিনে আমাদের সাথেই পাবো। আমাদের সাথে সরাসরি এই মানববন্ধনে অংশ নিন এবং প্রযুক্তির দুনিয়ায় এই দুষ্ট ডিআরএম প্রযুক্তির প্রতিরোধে নিজের দৃঢ় অবস্থান আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে জানিয়ে দিন। ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন — http://www.defectivebydesign.org/what_is_drm

আয়োজন পরবর্তী প্রতিবেদন (৩রা মে, ২০১৬। বিকাল ৪টা ২৬মিনিট)

প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা এবং পন্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কর্তৃক সাধারন ব্যবহারকারীদের নিকট তথ্য প্রদান না করা এবং তথ্য/প্রযুক্তি প্রাপ্তি/ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি/বিকল্প পন্থায় বাধাসৃষ্টিকারী প্রযুক্তি/ব্যবস্থাগুলোকে আমজনতার সামনে উপস্থাপন করতে আজ ৩রা মে পালিত হয়ে গেলো ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক দিবস। প্রযুক্তির দুনিয়ায় প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের অধিকার খর্ব করে এমন সব প্রযুক্তিকে প্রতিহত করতে বিগত ২০১২ইং সাল থেকেই প্রতি বছর ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেস্ট্রিকশনস ম্যানেজমেন্ট” প্রতিরোধে এই দিনটি সারা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে। এফওএসএস বাংলাদেশ ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার প্রকৌশল বিভাগ পুরো বিশ্বের উন্মুক্ত মনা মানুষ ও প্রযুক্তিব্যবহারকারীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঢাকার ধানমন্ডি মিরপুর রোডের ১০২শুক্রাবাদে অবস্থিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সকাল ১১টা দুপুর ১২টা ৩০মিনিট অবদি একটি জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা এবং তার পরপরই মিনিট কুড়ি ব্যাপী একটি মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে।

আয়োজনের ছবিসমূহের সংকলন।

“পেঙ্গুইন মেলা – ২০১৫” – পটুয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত সফটওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে। “সফটওয়্যার চোর” অপবাদ থেকে নিজের প্রানের প্রিয় এই বাংলাদেশকে কালিমামুক্ত করতে এবং সফটওয়্যার প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর ও মুক্তপ্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার, লিনাক্স ও উন্মুক্ত সোর্স ভিত্তিক সফটওয়্যারকে ছড়িয়ে দেবার প্রত্যয়ে মুক্ত প্রযুক্তি ভিত্তিক সফটওয়্যার, লিনাক্স এবং বিভিন্ন সেবাসমূহ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এফওএসএস বাংলাদেশ (ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ)।

উন্মুক্ত প্রযুক্তি ও মুক্ত সফটওয়্যার বিষয়ে এফওএসএস বাংলাদেশ এর জনসচেতনতামূলক একটি আয়োজন “পেঙ্গুইন মেলা”। আসন্ন “পেঙ্গুইন মেলা” টি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯শে এপ্রিল ২০১৫ইং, বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা অবদি বাংলাদেশে দক্ষিনাঞ্চলের জেলা পটুয়াখালিতে অবস্থিত পটুয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে’র মিলনায়তনে।

এই আয়োজনে থাকছে —
# সফটওয়্যার ও সফটওয়্যার পাইরেসি বিষয়ক আলোচনা
# সফটওয়্যার পাইরেসি থেকে মুক্ত হবার উপায় নিয়ে বিশদ আলোচনা
# মুক্ত সফটওয়্যার, ওপেনসোর্স ও জিএনইউ-লিনাক্স বিষয়ে আলোচনা
# অংশগ্রহনকারী দর্শকদের সাথে মতামত বিনিময় ও সরাসরি আলোচনা।
# আয়োজনের শেষাংশে জিএনউউ/লিনাক্স ডিস্ট্রো ইন্সটলেশন এবং ব্যবহার সহযোগীতার ব্যবস্থা। যেখানে জিএনইউ-লিনাক্স ভিত্তিক বিভিন্ন ডিস্ট্রোর আইএসও পেনড্রাইভে সংগ্রহ ও ইন্সটল করে নেয়া যাবে।

আয়োজনে সার্বিক সহযোগীতা দিচ্ছে পটুয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগ কর্তৃপক্ষ। আয়োজনে আপনার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার তথ্যটি আমাদেরকে এই লিংক থেকে প্রাপ্ত ফর্মে দিন, আমাদের আয়োজন পরিকল্পনায় সহযোগীতা করুন।

আয়োজনের ছবির সংকলন।

“পেঙ্গুইন মেলা – ২০১৫” – বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত সফটওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে। “সফটওয়্যার চোর” অপবাদ থেকে নিজের প্রানের প্রিয় এই বাংলাদেশকে কালিমামুক্ত করতে এবং সফটওয়্যার প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর ও মুক্তপ্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার, লিনাক্স ও উন্মুক্ত সোর্স ভিত্তিক সফটওয়্যারকে ছড়িয়ে দেবার প্রত্যয়ে মুক্ত প্রযুক্তি ভিত্তিক সফটওয়্যার, লিনাক্স এবং বিভিন্ন সেবাসমূহ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এফওএসএস বাংলাদেশ (ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ)।

উন্মুক্ত প্রযুক্তি ও মুক্ত সফটওয়্যার বিষয়ে এফওএসএস বাংলাদেশ এর জনসচেতনতামূলক একটি আয়োজন “পেঙ্গুইন মেলা”। আসন্ন “পেঙ্গুইন মেলা” টি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৬ই এপ্রিল ২০১৫ইং, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা অবদি বগুড়া জেলা শহরে, বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে।

এই আয়োজনে থাকছে —
# সফটওয়্যার ও সফটওয়্যার পাইরেসি বিষয়ক আলোচনা
# সফটওয়্যার পাইরেসি থেকে মুক্ত হবার উপায় নিয়ে বিশদ আলোচনা
# মুক্ত সফটওয়্যার, ওপেনসোর্স ও জিএনইউ-লিনাক্স বিষয়ে আলোচনা
# অংশগ্রহনকারী দর্শকদের সাথে মতামত বিনিময় ও সরাসরি আলোচনা।
# আয়োজনের শেষাংশে জিএনউউ/লিনাক্স ডিস্ট্রো ইন্সটলেশন এবং ব্যবহার সহযোগীতার ব্যবস্থা। যেখানে জিএনইউ-লিনাক্স ভিত্তিক বিভিন্ন ডিস্ট্রোর আইএসও পেনড্রাইভে সংগ্রহ ও ইন্সটল করে নেয়া যাবে।

আয়োজনে সার্বিক সহযোগীতা দিচ্ছে বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিউটের কম্পিউটার কৌশল বিভাগ। আয়োজনে আপনার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার তথ্যটি আমাদেরকে এই লিংক থেকে প্রাপ্ত ফর্মে দিন, আমাদের আয়োজন পরিকল্পনায় সহযোগীতা করুন।

আয়োজনের ছবির সংকলন।

“উন্মুক্ত শিক্ষা দিবস – ২০১৫” — বাংলাদেশ আয়োজন

“উন্মুক্ত শিক্ষা দিবস” আয়োজনটি একটি বৈশ্বিক আয়োজন। মানে পুরো পৃথিবীর বিভিন্ন অবস্থানে বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এই আয়োজনে অংশ নেবে এবং সক্রিয়ভাবে উদযাপন করবে দিবসটিকে। উন্মুক্ত শিক্ষা আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে “শিক্ষা” নামক মৌলিক অধিকারটুকু সবার জন্য সুনিশ্চিত করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উন্মুক্ত শিক্ষা আন্দোলন উন্মুক্ত সফটওয়্যার, উন্মুক্ত পাঠ্যবই, উন্মুক্ত শিক্ষা উপকরন তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে থাকে।

Read More

“পেঙ্গুইন মেলা – ২০১৫” — ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত সফটওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে। “সফটওয়্যার চোর” অপবাদ থেকে নিজের প্রানের প্রিয় এই বাংলাদেশকে কালিমামুক্ত করতে এবং সফটওয়্যার প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর ও মুক্তপ্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার, লিনাক্স ও উন্মুক্ত সোর্স ভিত্তিক সফটওয়্যারকে ছড়িয়ে দেবার প্রত্যয়ে মুক্ত প্রযুক্তি ভিত্তিক সফটওয়্যার, লিনাক্স এবং বিভিন্ন সেবাসমূহ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এফওএসএস বাংলাদেশ (ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ)।

উন্মুক্ত প্রযুক্তি ও মুক্ত সফটওয়্যার বিষয়ে এফওএসএস বাংলাদেশ এর জনসচেতনতামূলক একটি আয়োজন “পেঙ্গুইন মেলা”। আসন্ন “পেঙ্গুইন মেলা” টি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ই মার্চ ২০১৫ইং, শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা অবদি ঢাকা বিভাগে, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র ডঃ এম আই পাটোয়ারী মিলনায়তনে।

এই আয়োজনে থাকছে —
# সফটওয়্যার ও সফটওয়্যার পাইরেসি বিষয়ক আলোচনা
# সফটওয়্যার পাইরেসি থেকে মুক্ত হবার উপায় নিয়ে বিশদ আলোচনা
# মুক্ত সফটওয়্যার, ওপেনসোর্স ও জিএনইউ-লিনাক্স বিষয়ে আলোচনা
# অংশগ্রহনকারী দর্শকদের সাথে মতামত বিনিময় ও সরাসরি আলোচনা।
# আয়োজনের শেষাংশে জিএনউউ/লিনাক্স ডিস্ট্রো ইন্সটলেশন এবং ব্যবহার সহযোগীতার ব্যবস্থা। যেখানে জিএনইউ-লিনাক্স ভিত্তিক বিভিন্ন ডিস্ট্রোর আইএসও পেনড্রাইভে সংগ্রহ ও ইন্সটল করে নেয়া যাবে।

আয়োজনে সার্বিক সহযোগীতা দিচ্ছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং(ইইটিই) বিভাগ। আয়োজনে আপনার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার তথ্যটি আমাদেরকে এই লিংক থেকে প্রাপ্ত ফর্মে দিন, আমাদের আয়োজন পরিকল্পনায় সহযোগীতা করুন।

আয়োজনের ছবির সংকলন।

“উন্মুক্ত শিক্ষা দিবস – ২০১৪” — বাংলাদেশ আয়োজন

“উন্মুক্ত শিক্ষা দিবস” আয়োজনটি একটি বৈশ্বিক আয়োজন। মানে পুরো পৃথিবীর বিভিন্ন অবস্থানে বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এই আয়োজনে অংশ নেবে এবং সক্রিয়ভাবে উদযাপন করবে দিবসটিকে। উন্মুক্ত শিক্ষা আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে “শিক্ষা” নামক মৌলিক অধিকারটুকু সবার জন্য সুনিশ্চিত করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উন্মুক্ত শিক্ষা আন্দোলন উন্মুক্ত সফটওয়্যার, উন্মুক্ত পাঠ্যবই, উন্মুক্ত শিক্ষা উপকরন তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে থাকে।

Read More

ডঃ রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান এর বাংলাদেশ সফর

মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত সফটওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে। ১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের কোন একদিনে রিচার্ড স্টলম্যান নামের সফটওয়্যারের যাদুকর এক বদ্ধ উন্মাদ নিজের মোটা মাইনের চাকুরী ছেড়ে দিয়ে শুরু করেছিলেন মানবতার জন্য সফটওয়্যার উন্মুক্ত করার কাজ – “প্রজেক্ট গ্নু (GNU)”। সেই ব্যক্তিগত পাগলামো মার্কা উদ্যোগটাই আজ পৌঁছে গেছে সামগ্রিক ”সফটওয়্যার মুক্তি”র আন্দোলনে। প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ”মুক্ত সফটওয়্যার ফাউন্ডেশন” (Free Software Foundation বা FSF)। বিশ্বের বাঘা বাঘা সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যোগ দিয়েছে এই সংগঠনের সহযোগী হিসেবে। উদাহরন স্বরূপ বলা যায় – ক্যানোনিক্যাল, গুগলের নাম।

বাংলাদেশে এই মুক্তপ্রযুক্তি আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব আর প্রযুক্তিখাতে এই আন্দোলনের অবদান ও প্রয়োজনীয়তা সবার সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে করে যাচ্ছে ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ বা এফওএসএস বাংলাদেশ (FOSS Bangladesh)। এফওএসএস বাংলাদেশ এর আমন্ত্রনে আগামী ১২ই ডিসেম্বর ২০১৪ইং, ডঃ রিচার্ড স্টলম্যান প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে আসবেন। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও এফওএসএস বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আসন্ন ১২ই ডিসেম্বর ২০১৪ইং শুক্রবার, দুপুর ২টা ৩০মিনিটে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সোবহানবাগ ক্যাম্পাসের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে “মুক্ত প্রযুক্তি ভিত্তিক একটি সমাজ” শীর্ষক সেমিনার। এই আয়োজনে বক্তব্য উপস্থাপন করবেন ডঃ রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান বা আরএমএস।

মুক্তপ্রযুক্তি ও মুক্তপ্রযুক্তি আন্দোলনের জন্য মুক্ত সফটওয়্যার ফাউন্ডেশন বা ফ্রী সফটওয়্যার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রেসিডেন্ট ডক্টর রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান, প্রযুক্তিখাতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ইন্টারনেট হল অব ফেম এ উপস্থাপিত হয়েছেন। নিজের কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ এসিএম এর গ্রেস হপার অ্যাওয়ার্ড, ম্যাকআর্থার ফাউন্ডেশনের ফেলোশীপ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদানের জন্য তাকেদা অ্যাওয়ার্ড সহ বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট লাভ করেছেন।

আয়োজন স্থল: ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সোবহানবাগ ক্যাম্পাস, ৪/২ সোবহানবাগ, ঢাকা [১২ই ডিসেম্বর, দুপুর ২টা ৩০মিনিট থেকে]

আয়োজনের বিস্তারিত সূচী:
১। আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে নিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী ঘোষনা করা হবে।
২। আয়োজনে “মুক্ত প্রযুক্তি ভিত্তিক একটি সমাজ” শীর্ষক বক্তব্য উপস্থাপন করবেন ডঃ রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান।
৩। দর্শকদের সাথে সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্ব।
৪। আমন্ত্রিত অতিথিদের ধন্যবাদ জ্ঞাপনমূলক বক্তব্য।

মুক্ত প্রযুক্তি বিষয়ে আগ্রহী সকলকে এই আয়োজনে যোগ দিতে উন্মুক্ত আহ্বান জানানো যাচ্ছে। আয়োজনে আপনার আসন নিশ্চিত করতে অগ্রীম রেজিষ্ট্রেশন করুন – লিংক থেকে। আয়োজনের বিস্তারিত ও বিশ্ব মানচিত্রে আমাদের আয়োজনের অবস্থান দেখে/খুঁজে নিতে পারেন

আপডেট: ১২ই ডিসেম্বর, সন্ধ্যা ৭টা ২৫মিনিট

আয়োজনের কিছু ছবি।


লোমানী জেবী জোয়ারদার
গনযোগাযোগ সচিব, এফওএসএস বাংলাদেশ।

“সফটওয়্যার মুক্তি দিবস – ২০১৪” — বাংলাদেশ আয়োজন

মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত সফটওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে। ১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের কোন একদিনে রিচার্ড স্টলম্যান নামের সফটওয়্যারের যাদুকর এক বদ্ধ উন্মাদ নিজের মোটা মাইনের চাকুরী ছেড়ে দিয়ে শুরু করেছিলেন মানবতার জন্য সফটওয়্যার উন্মুক্ত করার কাজ – “প্রজেক্ট গ্নু (GNU)”। সেই ব্যক্তিগত পাগলামো মার্কা উদ্যোগটাই আজ পৌঁছে গেছে সামগ্রিক ”সফটওয়্যার মুক্তি”র আন্দোলনে। প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ”মুক্ত সফটওয়্যার ফাউন্ডেশন” (Free Software Foundation বা FSF)। বিশ্বের বাঘা বাঘা সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যোগ দিয়েছে এই সংগঠনের সহযোগী হিসেবে। উদাহরন স্বরূপ বলা যায় – ক্যানোনিক্যাল, গুগল, লিনাক্স ফাউন্ডেশনের নাম। ২০০৪ সাল থেকে এই আন্দোলনের শুরুর দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় শনিবারে।

Read More

“পেঙ্গুইন মেলা – ২০১৪” — বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন একটি সামাজিক আন্দোলন যার উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অধিকার সংরক্ষণ করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন, মুক্ত সফটওয়্যার তৈরি করতে, ব্যবহার করতে এবং মানোন্নয়ন করতে উৎসাহ প্রদান করে। “সফটওয়্যার চোর” অপবাদ থেকে নিজের প্রানের প্রিয় এই বাংলাদেশকে কালিমামুক্ত করতে এবং সফটওয়্যার প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর ও মুক্তপ্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মুক্ত সফটওয়্যার, লিনাক্স ও উন্মুক্ত সোর্স ভিত্তিক সফটওয়্যারকে ছড়িয়ে দেবার প্রত্যয়ে মুক্ত প্রযুক্তি ভিত্তিক সফটওয়্যার, লিনাক্স এবং বিভিন্ন সেবাসমূহ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এফওএসএস বাংলাদেশ (ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ)।

উন্মুক্ত প্রযুক্তি ও মুক্ত সফটওয়্যার বিষয়ে এফওএসএস বাংলাদেশ এর জনসচেতনতামূলক একটি আয়োজন “পেঙ্গুইন মেলা”। আসন্ন “পেঙ্গুইন মেলা” টি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ই সেপ্টেম্বর ২০১৪ইং, রবিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০মিনিট অবদি বরিশাল বিভাগে, বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে।

উক্ত অনুষ্ঠানে থাকছে —
# সফটওয়্যার ও সফটওয়্যার পাইরেসি বিষয়ক আলোচনা
# সফটওয়্যার পাইরেসি থেকে মুক্ত হবার উপায় নিয়ে বিশদ আলোচনা
# মুক্ত সফটওয়্যার, ওপেনসোর্স ও জিএনইউ-লিনাক্স ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা
# পাশাপাশি আরো রয়েছে অংশগ্রহনকারী দর্শকদের সাথে মতামত বিনিময় ও সরাসরি আলোচনা।
# আয়োজনের শেষাংশে থাকছে জিএনউউ/লিনাক্স ডিস্ট্রো ইন্সটলেশন এবং ব্যবহার সহযোগীতার ব্যবস্থা, যেখানে জিএনইউ-লিনাক্স ভিত্তিক বিভিন্ন ডিস্ট্রোর আইএসও পেনড্রাইভে সংগ্রহ ও ইন্সটল করিয়ে নেয়া যাবে।

আয়োজনে যৌথভাবে সহযোগীতা দিচ্ছে বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (বিপিআই) ও বরিশাল সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি (বিএসআইটি) কর্তৃপক্ষ।

আয়োজন পরবর্তী সংবাদ প্রতিবেদন —
উন্মুক্ত প্রযুক্তি ও মুক্ত সফটওয়্যার বিষয়ে এফওএসএস বাংলাদেশ এর জনসচেতনতামূলক একটি আয়োজন “পেঙ্গুইন মেলা” অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো আজ ৭ই সেপ্টেম্বর ২০১৪ইং, রবিবার বরিশাল বিভাগে, বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে। উক্ত অনুষ্ঠানে সফটওয়্যার পাইরেসি থেকে মুক্ত হবার উপায়, মুক্ত সফটওয়্যার, ওপেনসোর্স ও জিএনইউ-লিনাক্স ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি আরো ছিলো অংশগ্রহনকারী দর্শকদের সাথে মতামত বিনিময় ও সরাসরি আলোচনা। আয়োজনে অংশ নেন বরিশাল পলিটেকনিক এর অধ্যক্ষ প্রকৌশলী ড. নুরুল ইসলাম, কম্পিউটার বিভাগীয় প্রধান মোঃ শাখাওয়াত হোসেন, অন্যান্য বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকগন এবং বিএসআইটি’র প্রশিক্ষক এস এম হাবিবুর রহমান। আয়োজনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন এফওএসএস বাংলাদেশ এর মহাসচিব সাজেদুর রহিম জোয়ারদার রিং। আয়োজনে আরো বক্তব্য রাখেন এফওএসএস বাংলাদেশ এর স্বেচ্ছাসেবক সফিকুর রহমান পল্লব এবং সরাসরি মত বিনিময়কালে অংশ নেন উপস্থিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

প্রায় দুইশতাধিক ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতিতে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা অবদি চলা এ আয়োজনের শেষাংশে ছিলো জিএনউউ/লিনাক্স ডিস্ট্রো ইন্সটলেশন এবং ব্যবহার সহযোগীতার ব্যবস্থা। এছাড়াও ছিলো জিএনইউ-লিনাক্স ভিত্তিক বিভিন্ন ডিস্ট্রোর আইএসও পেনড্রাইভে সংগ্রহ ও ইন্সটল করিয়ে নেয়ার সুযোগ। আয়োজনে যৌথভাবে সহযোগীতা দিয়েছে বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (বিপিআই) ও বরিশাল সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি (বিএসআইটি) কর্তৃপক্ষ।

আয়োজনের ছবির সংকলন।